সড়কে শৃংখলা ফিরিয়ে আনতে যশোর জেলা ট্রাফিক পুলিশর নানা পদক্ষেপ গ্রহন

jashore map

সড়কে শৃংখলা ফিরিয়ে আনতে যশোর জেলা ট্রাফিক পুলিশ নানা পদক্ষেপ গ্রহন করছে। সড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে চালকদের সচেতন করতে ট্রাফিক পুলিশ শহরে লিফলেট বিতরণ, মাইকিং, সচেতনতা মূলক আলোচনাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করছে।
প্রতিনিয়িত যশোর শহরে যানজটসহ ছোট খাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। যানজট মুক্ত করতে ট্রাফিক পুলিশকে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়। যানজট মুক্ত ও দূর্ঘটনা এড়াতে পথচারি ও চালকদের সচেতন করতে জেলা ও ট্রাফিক পুলিশ শহরে লিফলেট বিতরণ, মাইকে প্রচার ও বিভিন্ন স্ট্যান্ডে শ্রমিকদের নিয়ে সচেতনতা মূলক কর্মশালার আয়োজনসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। পর্যায়ক্রমে ট্রফিক শ্রমিকদের সাথে সচেতনতামূলক কর্মশালার মাধ্যমে তাদেরকে সচেতন করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহন করছে। একই সাথে পুলিশ অবৈধ যানবাহন আটক অভিযান পরিচালনা করছে।
ট্রাফিক অফিস সুত্রে জানা যায়, শহরকে যানজট মুক্ত করতে জেলা পুলিশের পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশ, চালক ও পথচারিদের সচেতন করতে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শহরে লিফলেট বিতরণ, মাইকে প্রচার, শ্রমিকদের নিয়ে সচেতনতা মূলক কর্মশালাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। লিটলেটে বলা হয়েছে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ মেনে চলুন, রাস্তায় শৃংখলা বজায় রাখুন, সড়ক দূর্ঘটনা এড়িয়ে চলুন। অননুমোদিত যানবাহন যা স্থানীয় ভাবে তৈরি, অযান্ত্রিক, শ্যালো মেশিন কিংবা মোটর সম্বলিত যান যেমন নসিমন, করিমন, আলমসাধু, ভটভটি, এগুলো সড়ক, মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে চালাবেন না। জীবনের ঝুকি নিয়ে এসব যনবাহনে উঠবেন না। রেজিষ্ট্রেশন বিহীন অথবা ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন ব্যবহার করে মোটরসাইকেল নিয়ে রাস্তায় বের হবেন না। লাইসেন্স কিংবা হেলমেট এবং তিনজন নিয়ে মোটরসাইকেল চালাবেন না। অতিরিক্ত গতিও বেপরোয়া ভাবে মোটরযান চালাবেন না। ঝুকিপূর্ন অভারটেকিং করবেন না। পন্যবাহি গাড়িতে অতিরিক্ত ওজন বহন করবেন না। যাত্রিবাহি গাড়িতে অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে উঠবেন না। কোন গাড়িতেই হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহার করবেন না। যেখানে সেখানে মোটরযান পাকিং করে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবেন না। মোটরযান চালনাকালে সিটবেল্ট ব্যবহার করুন এবং মোবইলে কথা বলা থেকে বিরত থাকুন। অভিজ্ঞ ড্রাইভার ও হেলপার নিয়োগ করুন, সড়ক দূর্ঘটনা এড়িয়ে চলুন। মদ্যপান বা নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন করে মোটরযান চালাবেন না। ট্রফিক আইন সাইন ও সংকেত মেনে চলুন, সড়কে শৃংখলা বজায় রাখুন। জরুরি পুলিশি সেবা পাওয়ার জন্য গণপরিবহনের অভ্যন্তরে রেজিষ্ট্রেশন নম্বর ও ৯৯৯ সম্বলিত ষ্টিকার সংযোজন করুন। গণপরিবহনের অভ্যন্তরে নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা প্রর্শন করুন। গণপরিবহনে মহিলা ও প্রতিবন্ধিদের জন্য আসন সংরক্ষিত রাখুন।
সদর ট্রফিক পুলিশের পরিদর্শক শুভেন্দু কুমার মুন্সি জানান, যশোর ট্রাফিকে লোকবল সংকটের কারণে যানজট নিরসনে প্রায়ই হিমশিম খেতে হয়। বর্তমানে যশোর শহরে যানবাহন বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু শহর বাড়েনি। তাছাড়া একই সড়ক দিয়ে যানবাহন আসা যাওয়া করে। আমাদের কোন ওয়ানওয়ে সড়ক নেই। সেই মান্ধাতার আমলের লোকবল নিয়ে ট্রফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রন করতে হয়। যেকারণে যানজট নিয়ন্ত্রন করতে যেয়ে হিশশিম খেতে হয়। ট্রাফিকে লোকবল বৃদ্ধি পেলে যানজট নিয়ন্ত্রন করা সহজ হবে।