মাশরাফিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বঙ্গবন্ধু কাপের দলগুলো

masrafi

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের প্লেয়ার্স ড্রাফটে নাম ছিল না মাশরাফি বিন মুর্তজার। তবে টুর্নামেন্টের মাঝপথে সুযোগ এসেছে খেলার। জেমকন খুলনা মাশরাফিকে দলে পেতে আবেদন করেছে বিসিবির কাছে। এছাড়া ফরচুন বরিশালও পেতে চাইছে দেশের সফলতম অধিনায়ককে। গুঞ্জন রয়েছে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের হয়েও খেলতে পারেন তিনি।

দীর্ঘদিন খেলার বাইরে থাকা মাশরাফি গত ১ ডিসেম্বর হুট করেই নিজেকে ঝালিয়ে নেন মিরপুরের একাডেমিতে। প্রথমে রানিং করার পর ফুল রান আপ নিয়ে বল করেন ৪ ওভারের মতো।

বিসিবির ট্রেনার তুষার কান্তি হাওলাদারের আস্থা রয়েছে মাশরাফির ওপর। তিনি যেভাবে অনুশীলন করছেন দ্রুতই ফিট হয়ে ফিরতে পারবেন বলে আশা তুষারের। তবে করোনা ভাইরাসের মতো কঠিন সময় কাটিয়ে আসায় এখনও মাশরাফির ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে কিছু বলছে না বিসিবি। তাছাড়া ফিজিক্যাল টেস্ট দেয়নি মাশরাফি।

বিসিবি ট্রেনার তুষার বলেন, ‘মাশরাফি এমনিতে বল করেছে। যেভাবে অনুশীলন করছে এভাবে অবশ্যই সে ফিট হয়ে ফিরতে পারবে। টেকনিক নিয়েতো আর তেমন কোনো সমস্যা নেই, সমস্যাটা ফিটনেসে। এখনো সে ফিজিক্যাল টেস্ট দেয়নি। তাছাড়া সে কোভিড কাটিয়ে এসেছে, তাই তার ব্যাপারে বলাটা কঠিন।’

গুঞ্জন আছে, বঙ্গবন্ধু কাপের শেষ অংশে খেলবেন মাশরাফি। তবে ঠিক কোন দলের হয়ে মাঠ মাতাবেন, সেটি চূড়ান্ত হয়নি এখনো। কিছুদিন আগে আঙুলের চোটে গোটা টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছেন গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের খেলোয়াড় মুমিনুল হক। এরপর গণমাধ্যমে খবর আসে, হয়তো সে দলেই দেখা যেতে পারে মাশরাফিকে।

এদিকে বঙ্গবন্ধু কাপে সুবিধাজনক অবস্থানে নেই জেমকন খুলনা। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, সাকিব আল হাসানকে দলভুক্ত করেও ভালো করতে পারছে না তারা। দলটির স্পন্সর জেমকন গ্রুপের পরিচালক কাজী ইনাম আহমেদ আগেই জানিয়েছিলেন, এবার দল গড়তে খুলনা বিভাগের খেলোয়াড়দের দিকে বাড়তি দৃষ্টি রেখেছেন। দলীয় সূত্রের খবর, সব ভেবে এবার মাশরাফিকে দলে চাচ্ছে তারা। বিসিবির কাছে আবেদন করার কথা নিশ্চিত করেছেন জেমকন খুলনার ম্যানেজার নাফিস ইকবাল।

পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে অবস্থান ফরচুন বরিশালেরও। নিজের দল নিয়ে আগেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন দলটির অধিনায়ক তামিম ইকবাল। মাঠের লড়াইয়েও ফল পাচ্ছে না তারা। এই দুঃসময় কাটিয়ে উঠতে মাশরাফিকে চায় তারাও।

তবে মাশরাফি দীর্ঘদিন খেলার বাইরে থাকায় চাইলেই তাকে দলে টানা সম্ভব নয়। এজন্য আগে বোর্ডের ছাড়পত্র পেতে হবে তাকে। আর যেহেতু একাধিক দল তাকে পেতে আগ্রহ দেখিয়েছে, শেষ অবধি দলগুলো এই সিদ্ধান্তে অটল থাকলে লটারিতে উঠবে মাশরাফির নাম।