মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থান: ভারত ও চীন যা বলেছে

barma army

মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখলের ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী দেশ চীন খুবই সতর্ক প্রতিক্রিয়া দিয়েছে। অপরদিকে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। একই সঙ্গে অং সান সু চিকে আটক করা নিয়েও অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি।

চীন সরকারের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত আলাদাভাবে কোনো বক্তব্য বা বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র তাদের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সংক্ষিপ্ত ও সতর্ক প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন।

মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বলেন, মিয়ানমারের ঘটনাবলির দিকে চীন নজর রাখছে, এবং ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, চীন মিয়ানমারের বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী। আমরা আশা করি, দেশের সাংবিধানিক ও আইনি কাঠামোর মধ্যে মিয়ানমারের বিভিন্ন পক্ষ তাদের মতভেদ দূর করবে। রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে।
সোমবার এক বিবৃতিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া চলতে দেওয়া ও আইনের শাসন অব্যাহত রাখার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। মিয়ানমারের পরিস্থিতির দিকে গভীর উদ্বেগের সঙ্গে নজর রাখা হচ্ছে জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হযেছে, মিয়ানমারে গণতন্ত্র ফেরার প্রক্রিয়াকে সবসময় সমর্থন করেছে ভারত।
এ জন্য আইনের শাসন ও গণতন্ত্র ফেরার প্রক্রিয়াকে বজায় রাখা দরকার।

সোমবার ভোরে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট, ক্ষমতাসীন দলের নেত্রী অং সান সু চিসহ কয়েকজন মন্ত্রীকে আটক করার পর দেশজুড়ে এক বছরের জরুরি অবস্থা জারি করেছে সেনাবাহিনী। সূত্র: বিবিসি, হিন্দুস্তান টাইমস