২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু কমে সাতজনে নামল

ফাইল ছবি

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও দেশে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে গত ২৯ জানুয়ারিও সাতজন মৃত্যুর তথ্য দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, যা ছিলো গত সাড়ে আট মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। এ নিয়ে মোট ৮ হাজার ১৮২ জনের মৃত্যু হলো করোনায়।

এছাড়া গত একদিনে করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৪৩৫ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ৫০৭ জন।

শুক্রবার বিকালে সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির সবশেষ এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশের ২০৬টি ল্যাবে ১৫ হাজার ৫৬৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে শনাক্ত হন ৪৩৫ জন। এ পর্যন্ত ৩৭ লাখ ২৪ হাজার ৪৭৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে মোট শনাক্ত ৫ লাখ ৩৭ হাজার ৪৬৫ জন।

গত একদিনে পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২.৭৯ শতাংশ ও সুস্থতার হার ৮৯.৭৬ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত একদিনে মারা গেছেন ৭ জন ও ২৯ জানুয়ারি সাতজনের মৃত্যু হয় করোনায়, যা গত সাড়ে আটমাস পর সর্বনিম্ন। এর আগে গত বছরের ৭ মে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিলো। এরপর ৯ মে আট জনের মৃত্যু হয়। এরপর মৃত্যুর সংখ্যা এর চেয়ে আর কমেনি। নতুন মারা যাওয়া ৭ জনকে নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮ হাজার ১৮২ জন।

গত এক দিনে যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে পুরুষ ৪ জন ও তিনজন নারী। মৃতদের ছয়জনই চল্লিশোর্ধ্ব। বাকি একজন ৩১-৪০ বয়সী।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে গত এক দিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ৫০৭ রোগী করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন। তাদের নিয়ে এ পর্যন্ত সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪ লাখ ৮২ হাজার ৪২৪ জন।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত ৮ মার্চ; তা সোয়া ৫ লাখ পেরিয়ে যায় গত ১৪ জানুয়ারি। এর মধ্যে গতবছরের ২ জুলাই ৪ হাজার ১৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ শনাক্ত।

প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গতবছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ২৯ ডিসেম্বর তা সাড়ে সাত হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে গত বছরের ৩০ জুন এক দিনেই ৬৪ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ মৃত্যু।