দেশে যুদ্ধবিমান তৈরির আশা প্রধানমন্ত্রীর

hasina
ফাইল ছবি

আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন বিমান বাহিনী গড়ে তোলার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে যুদ্ধবিমান তৈরি করার আশা প্রকাশ করেছেন।

বৃহস্পতিবার ৩০ ডিসেম্বর  যশোর বিমান বাহিনী একাডেমিতে শীতকালীন রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত বক্তব্য দেন সরকার প্রধান।

নবীন কর্মকর্তাদের দেশ ও জনগণের প্রতি সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে নির্দেশনাও দেন তিনি। যশোর বিমান বাহিনী একাডেমিতে বিমানবাহিনীর সদস্যদের সুশৃঙ্খল প্যারেডের মধ্য দিয়ে শুরু হয় শীতকালীন রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ ২০২১।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজের মাধ্যমে ১২ জন নারী অফিসার ক্যাডেটসহ মোট ৫৪ জন অফিসার ক্যাডেট কমিশন লাভ করেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান ক্যাডেটদের মাঝে ট্রফি ও ফ্লাইং ব্যাজ বিতরণ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে বাহিনী প্রধান সেরা চৌকস কৃতিত্বের জন্য অফিসার ক্যাডেট ফাহিম নূর শাকিলের হাতে তুলে দেন সোর্ড অব অনার। এ ছাড়া অন্যান্য নবীন কর্মকর্তাদের দেওয়া হয় পুরস্কার।

পরে প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে শুরু হয় মনোমুগ্ধকর ফ্লাইপাস্ট। চৌকস ফ্লাইট ক্যাপ্টেনদের পরিচালনায় আকাশে বর্ণিল নকশা তৈরি করে বাহিনীর বিভিন্ন আধুনিক বিমান।

দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী জানান, বিমান বাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার, বাড়ানো হচ্ছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার। শেখ হাসিনা বলেন, সম্পতি বিমান বাহিনীর জন্য ক্রয় করা হয়েছে ভি-সাট হাব ও টার্মিনাল স্টেশন।

গবেষণার মাধ্যমে ইনশাআল্লাহ একদিন আমরা বিমান, যুদ্ধ বিমান ও হেলিকপ্টার নিজেরাই তৈরি করতে পারব এ বিশ্বাস আমার আছে। সেভাবে আমরা এখন থেকে প্রশিক্ষণ দিতে চাই।

শিগগিরই বিমান বাহিনীতে আমরা যুক্ত করব অত্যাধুনিক বিমান, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন রাডার, এটিএস সিমুলেটর, লেসার গাইডেড বোম্ব ও এন্টিশেপ মিসাইল।

নবীন কর্মকর্তাদের দেশ ও জনগণের প্রতি দায়িত্ব পালনে নিজেদের উপযোগী করে গড়ে তোলার নির্দেশনাও দেন সরকারপ্রধান।

তিনি বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার জন্য তোমাদের কাধে অর্পণ করা হলো তা নিষ্ঠা ও একাগ্রতার সঙ্গে দেশপ্রেম নিয়ে পালন করবে বলে আমি আশা করি।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে আমরা উন্নত বিশ্বের বিমান বাহিনীর সমপর্যায়ে দেখতে চাই। বাংলাদেশ বিমান বাহিনী একাডেমি থেকে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৩২৪ জন প্রশিক্ষণার্থী কমিশন লাভ করেছেন।