পাল্টা আঘাতের জন্য নেতাকর্মীদের প্রস্তুত হতে বললেন গয়েশ্বর

Goyessor Ray

সরকারের অন্যায়ের বিরুদ্ধে পাল্টা আঘাতের জন্য নেতাকর্মীদের প্রস্তুত হতে বলেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে এক আলোচনাসভায় তিনি এই আহ্বান জানান।

গয়েশ্বর বলেন, মানুষ চায় আমরা সরকারকে রাস্তায় মোকাবেলা করি। মানুষ চায় আমরা মাইর খাই, মানুষ চায় আমরা পাল্টা মাইর দেই। যুদ্ধ জয় করতে চাইলে আপনি একতরফা গুলি খাবেন, গুলি করবেন না এটার নাম যুদ্ধ না। আমরা একতরফা মাইর খেয়ে যাচ্ছি।

মামলাবাজির শিকার হচ্ছি আর আদালতে হাজিরা দিচ্ছি। সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমরা আঘাত সইতে সইতে সরকারের হাত লম্বা হয়ে গেছে।

এখন আঘাতের পরে পাল্টা আঘাতের জন্য প্রস্তুত হতে হবে। আমাকে মারবে, আমার বেঁচে থাকার অধিকার থাকবে না আর আমাকে যে মারবে তাকে আমি কিছু বলব না তা হবে না।

গতকাল সুপ্রিম কোর্টের ঘটনা প্রসঙ্গে গয়েশ্বর বলেন, এই যে সুপ্রিম কোর্টে যে কাজটা করল, এ কাজের পরে আমাদের আইনজীবীরা কি আদালতে যাওয়া এক দিনের জন্য বন্ধ করবেন?

আজকে সর্বোচ্চ বিচারাঙ্গনে যে ঘটনা ঘটাল এটার প্রতিবাদে কি আমাদের আইনজীবীরা কোর্ট-কাচারিতে যাওয়া বন্ধ করবেন? আমার মনে হয় না।

আমার মনে হয়, পুলিশ যদি রাস্তায় ব্যারিকেড দেয় তা ভেঙে হলেও যাবে। কারণ বেগম খালেদা জিয়ার জন্য আমাদের আইনজীবীরা এক দিনের জন্যও কর্মবিরতি দেননি।

তিনি বলেন, আমি আইনজীবীদের প্রতি সম্মান রেখেই বলছি, এই সুপ্রিম কোর্ট, ঢাকা কোর্টে আইনজীবীরা আমাদের তো বারবার নির্বাচিত করেছেন।

আমাদের এই প্রতিনিধিরা, এই নেতারা কোর্ট-কাচারিতে আইনের শাসনের জন্য, ন্যায়বিচারের জন্য বা আইনজীবীদের পক্ষে অথবা বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে কখন নামবেন,

কী প্রতিবাদ করলেন। মাঝেমধ্যে দুই-চারজন ব্যানার নিয়ে দাঁড়িয়ে গেলে হয়ে যায় কি? হয় না। তিনি বলেন, এই সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সমিতির অ্যাডভোকেট শামসুল হক চৌধুরী প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

কত ধানে কত চাল এরশাদ বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। শাসমুল হক সাহেবের সাথে দেখা করতে গিয়ে তার রুমে বসে আমরা যুবসংগ্রাম পরিষদ গঠন করলাম। তিনি বললেন, আপনারা সব যুব এক হোন।

উনি কিন্তু কোনো রাজনৈতিক দল করতেন না। তাহলে যেখানে ন্যায়বিচার হয় না সেখান থেকে যদি প্রতিবাদ না আসে কারা প্রতিবাদ করবে?