বগুড়ার গাবতলী উপজেলার সাবেক ইউএনও আব্দুল ওয়ারেছ আনসারীর বেতন দুই বছর না বাড়ানোর (ইনক্রিমেন্ট বন্ধের) শাস্তি দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
উপজেলার ডাকুমারা হাটের ইজারায় অনিয়মের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’ প্রমাণিত হওয়ায় এ শাস্তি দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এ কর্মকর্তা বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) উপপরিচালক (সিনিয়র সহকারী সচিব) হিসেবে কর্মরত আছেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল ওয়ারেছ আনসারী ইউএনও থাকাকালে ডাকুমারা হাটের ইজারা সংক্রান্ত ঘটনায় সরকারের ৪৬ লাখ ১ হাজার ৫শ’ টাকার রাজস্ব ক্ষতিসাধন করেন- এমন অভিযোগে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের হয়।
মামলার তদন্তে উল্লিখিত আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি প্রমাণিত হয়, যা তদন্ত কর্মকর্তা অসদাচারণ হিসেব অভিহিত করেন। এ হিসেবে তাকে বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি দুই বছরের জন্য স্থগিত রাখার লঘুদণ্ড প্রদান করা হয়। এ সময় শেষে অর্থাৎ তৃতীয় বছর থেকে আব্দুল ওয়ারেছ বর্ধিত বেতন পেতে থাকবেন।