মানবাধিকার নিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চক্রান্ত হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

মানবাধিকার একটি ব্যবসায় পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, মানবাধিকারের কথা বলে কোনো কোনো দেশকে দমনের চেষ্টা করা হয়। বাংলাদেশে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে মানুষ হত্যা করা হচ্ছে, অথচ বিবৃতিজীবীরা হারিয়ে গেছে। বিশ্ব মানবাধিকার দিবসকে সামনে রেখে দেশে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চক্রান্ত হচ্ছে।

আজ শুক্রবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) আয়োজনে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ কেউ সন্ত্রাসীদের মানবাধিকার নিয়েও সোচ্চার হয়। কিন্তু সেই সন্ত্রাসীরা যে এত মানুষ মারল, সেটি নিয়ে কোনো কথাবার্তা নেই। কিছু মানবাধিকার সংগঠন আছে, যেগুলো মূলত মানবাধিকারের ব্যবসা করে। এই বিশ্ববেনিয়ারা মানবাধিকারের কথা বললেও ফিলিস্তিনে যে পাখির মতো নারী ও শিশুদের হত্যা করা হচ্ছে তা নিয়ে তাদের কোনো কথা বা বিবৃতি নেই।

শ্রমিক অধিকারের নামে বছরে ১২ বার বিদেশ সফরকারী দু-একজন শ্রমিক নেতা কারও এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে কিনা প্রশ্ন রেখে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, দেখা গেল আলপনা আক্তার, কল্পনা আক্তার, জল্পনা আক্তাররা বছরে ১২ বার বিদেশ গেছে, ১৮-২০ লাখ টাকা বিমান ভাড়া দিয়েছে। কারও কারও আবার গাড়ি আছে, ঢাকা শহরে বড় বড় ফ্ল্যাট আছে। এরা কীভাবে এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেু সেটি আজকে স্পষ্ট। তাদের ব্যাপারেও আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।

সিইউজে সভাপতি তপন চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিএফইউজেুবাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহসভাপতি মোহাম্মদ শহীদ উল আলম, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আলী আব্বাস, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য কলিম সরওয়ার, সিইউজের সাধারণ সম্পাদক ম. শামসুল ইসলাম, সিনিয়র সহসভাপতি রুবেল খান, সহসভাপতি অনিন্দ্য টিটু, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দেবদুলাল ভৌমিক প্রমুখ।