বেনাপোল প্রতিনিধি: বেনাপোল কাস্টমস এর কার্গো শাখায় ঘুষের দাবিতে ইচ্ছাকৃত ভুল করে অর্থ আদায় করে আসছে দীর্ঘদিন যাবৎ। এ বিষয় আমদানিকৃতদের নিয়োগকৃত সিএন্ডএফ এজেন্ড এর মালিক পক্ষ শুনতে গেলে এক পর্যায়ে তর্কবিতর্কর পর কাস্টমস আমদানি রফতানি বন্ধ করে চলে যায় হাউসে। মঙ্গলবার বেলা ১ টা থেকে ভারত বাংলাদেশের পেট্রাপোল- বেনাপোল স্থল বন্দরের আমদানি রফতানি বন্ধ রয়েছে।
এন ইসলাম নামে একটি সিএন এন্ড এফ এজেন্ডের বর্ডারম্যান রেজাউল করিম জানান, ভারত থেকে আমদানিকৃত পণ্য বাংলাদেশের প্রবেশ করলে কাস্টমস এর কার্গো শার্খা এন্ট্রি হয়। সেখানে ইচ্ছাকৃত ভাবে ভুল এন্ট্রি করে। যেমন গাড়ি নাম্বার ডাব্লিউ বি আছে কাস্টমস সেখানে লেখে ডাব্লিউ সি। আবার রহিম ট্রেডার্স আছে কাস্টমস সেখানে ঘুষ আদায়ের জন্য কম্পিউটারে এন্ট্রি দেয় রহিম এন্টারপ্রাইজ এরকম ম্যানিফিষ্ট থেকে এন্ট্রি দিয়ে ছেড়ে দেয়। সিএন্ডএফ এজেন্ড সদস্যরা যখন পণ্য ছাড় করানোর আনুষ্টানিকতা করতে ফাইল জমা দেয় তখন ওই ভুল ধরা পড়ে। তখন তারা হয়রানির শিকার হয়ে বাধ্য হয় আবার কার্গো শাখায় ভুল সংশোধন করতে। তখন দায়িত্বরত কর্মকর্তারা ফাইল সংশোধনের জন্য অর্থ আদায় করে।
এ বিষয় নিয়ে সিএন্ড এফ এর মালিক পক্ষ ও সিএন্ডএফ কর্মচারী ইউনিয়ন এর সদস্যরা কাস্টমস এর কার্গো শাখায় তাদের ইচ্ছাকৃত ভুলের ব্যাপারে অবহিত করলে কাস্টমস এর এ আরও শাহিন মালিক পক্ষদের সাথে অসাদারন আচারন করে আমদানি রফতানি বন্ধ করে চলে যায়।
এ ব্যাপারে কার্গো শাখার সামনে সিএনএফ কর্মচারীরা কাস্টমস এর হয়রানি সম্পর্কে ক্ষোভ প্রকাশ করে। কাস্টমস এর দীর্ঘ দিন তাদের হয়রানি এবং জোর পুর্বক অর্থ আদায়ের সমাধান চান এসব কর্মচারীরা।
এ আরও শাহিনকে কয়েকবার ফোন দিলেও সে ফোন রিসিভ করে নাই।







