প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে চলবে আমজাদ হোসেনের চিকিৎসা

থমকে আছে শোবিজের আকাশ-বাতাস। একটা চাপা নিরবতা চলচ্চিত্রের সবখানে। অভিভাবক, কিংবদন্তি নির্মাতা আমজাদ হোসেন তিনদিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি! এখনও কাটেনি শঙ্কা। রাজধানীর ইমপালস হাসপাতালে লাইফ সাপোর্ট দিয়ে রাখা হয়েছে তাকে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অসুস্থ আমজাদ হোসেনের পাশে এসে দাঁড়ালেন। নিলেন তার চিকিৎসার সব দায়িত্ব। মঙ্গলবার দুপুরে আমজাদ হোসেনের পুত্র সোহেল আরমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘এই কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা নেই। আমাদের প্রধানমন্ত্রী সবসময় শিল্পীদের সম্মান করেন, তাদের আপদে বিপদে এগিয়ে আসেন। আমার বাবার চিকিৎসার জন্য আমার পরিবারের পাশে এসেও দাঁড়ালেন তিনি। তার সঙ্গে সাক্ষাতের সময় তিনি বাবার শারীরিক অবস্থারও খোঁজ-খবর নিয়েছেন।’

সোহেল আরমান আরও বলেন, ‘বিশেষ পাশে আমরা প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করলাম। তিনি বাবার চিকিৎসার সমস্ত দায়িত্ব নিয়েছেন। যদি বিদেশে নিয়ে যাওয়া লাগে সেটাও তিনি ব্যবস্থা করবেন বলে জানিয়েছেন।’

সোহেল আরমান তার বাবার সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গেল রোববার সকালে নিজ বাসভবনে আমজাদ হোসেন ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। অচেতন অবস্থায় তাকে রাজধানীর আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ইমপালস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে এখানেই আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন।

এই কিংবদন্তি চলচ্চিত্র পরিচালক ১৯৭৮ সালে ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ এবং ১৯৮৪ সালে ‘ভাত দে’ চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।

তিনি একুশে পদক, স্বাধীনতা পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।