সাধক ঈমানদার মানুষের আত্মা মরে না অমর

কবি মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম: মানুষ জনম অমূল্য, জনম আল্লাহ তায়ালার হতে আগত, এজন্মমে আনন্দ হাসি, আদর ভালোভাসা, ভজন-সাধন, ভ্রমন, শয়ন, জাগরণ, দ্বারা সৃষ্টি আল্লাহ তায়ালার হতে, মানুষকে ভালোবাসেন মহান সৃষ্টিকর্তা, মানুষকে অনেক নিয়ামত দ্বারা সৃষ্টি করা হয়েছে এ নিয়ামত অন্য কাউকে প্রদান করেন নাই সৃষ্টি কর্তা, এসকল নিয়ামত ভোগ ও আল্লাহ তায়ালাকে মান্য করবে। নিয়ামত ভোগ করে, আল্লাহকে অমান্যকরণ কর্ম করলে নিয়ামত হতে বঞ্চিত হতে হয়। যুগে যুগে আল্লাহ তায়ালার পক্ষ হতে মনোনীত পয়গম্ভার প্রেরণ করেন, তাদের বসবাসের পছন্দ নানান নিয়ামত ভোগ করবার সুব্যবস্থা করেছেন। (সুরা আর রহমান)
প্রকৃত মানুষেরা সর্বক্ষণে মহান আল্লাহ তায়ালার আদেশ মান্য করেন, নিয়ামতের শুকুর ও আল্লাহকে মান্য করা হলে, আল্লাহ তায়ালা খুশির হয়ে নিয়ামত বৃদ্ধি করেন, পয়গম্ভারগণ নিয়মত ভোগে তুষ্ট থাকেন না। সর্বদা আল্লাহ তায়ালাকে খুশি রাখতে চাই। লক্ষ্য করলে দেখা যায় পয়গম্ভারদের, ওয়ারেশগণ শুকুর গোজারি করেন, আবার কেহ না শুকুরি করেন, যে না শুকুরি করেন, তিনি আল্লাহর দেওয়া সকল নিয়ামত হতে বঞ্চিত। যেমন কর্ম তেমন ফল ভোগ করতে হয়, তাহাতে আল্লাহ তায়ালার দায়বদ্ধতা থাকে না ও থাকবে না।

পয়গম্ভারদের ওয়ারেশগণ পূর্বের আগত আদেশ মান্য করে চলেন, তাদের দ্বারা অকল্যাণ কর্মকান্ড ঘটে না, ইহা আল্লাহ তায়ালার আদেশ, অবাধ্য বিস্তারের জন্য মানুষ সৃষ্টি নহে। আখেরি জামানা শেষ পয়গম্ভর হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) হতে পয়গম্ভার আগমন সমাপ্ত, তাহার ওয়ারেশ দ্বারা পরিচালিত, মানুষ বসবাস পৃথিবীতে আল্লাহ তায়ালার নিয়ম পালন হচ্ছে এ সকল মানুষেরা ঈমানওয়ালা মোমিন মানুষ, ওলি আওলিয়া, দরবেশ, কুতুব, ফকিরগণ, আল্লাহ তয়ালার পক্ষ হতে আগত পয়গম্ভারদের অনুস্বরণ পালন করতে অভ্যস্ত। এসকল মানুষগণ বেঁচে থাকা আগমূহুর্ত মানুষের কল্যাণে, আল্লাহ তয়ালা ও পয়গম্ভদের খুশি রাখবার লক্ষ্যে নিজ মুল্যবান যৌবন-জীবন জ্ঞান, ধন সম্পদ দ্বারা মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত রেখে পৃথিবী থেকে বিদায় হন, এ মানুষগণ মৃত্যুর পরও আমরত্ব লাভ করেন। জাগরিত মানুষ হতে কল্যাণ না পেয়ে, সন্ধান করছে মানুষ।

অমরত্ব লাভ করনে চির শয়নে শায়িত থাকা দরগা ও মাজারে, জিয়ারত করবার লক্ষ্যে সেথাই গিয়ে মিলছে বেঁচে থাকার শাত্ত্বনা, এসকল মহান আল্লাহ তায়ালার রহমত দয়া দান ও করুণা।

লেখক: কবি ও সাংবাদিক, শান্তি সাহিত্য কুটির
বাহাদুরপুর (পশ্চিমপাড়া), সদর, যশোর।