ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশে এমন একটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সমর্থন ও সহায়তা করছে ইউএসএইড যেখানে, নাগরিকদের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটে। বাংলাদেশের গণতন্ত্র জবাবদিহিতামূলক, সবার অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছ এটা নিশ্চিতেও কাজ করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটিতে ‘বাজেট প্রায়োরিটিজ ফর সাউথ এশিয়া’ শীর্ষক শুনানিতে এসব কথা বলেছেন গ্লোরিয়া স্টিল। তিনি ব্যুরো ফর এশিয়া ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের সিনিয়র ডেপুটি এসিসট্যান্ড এডমিনিস্ট্রেটর। ২৫শে জুলাই এ নিয়ে ওই কমিটিতে শুনানি হয়। এতে অংশগ্রহণ করে আরো বক্তব্য তুলে ধরেন ব্যুরো অব সাউথ অ্যান্ড সেন্ট্রাল এশিয়ান অ্যাফেয়ার্সের প্রিন্সিপাল ডেপুটি এসিসট্যান্ড সেক্রেটারি অ্যালিস জি ওয়েলস।
গ্লোরিয়া স্টিল বলেন, এ বছর শেষের দিকে ডিসেম্বরে বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন হওয়ার কথা। সেই নির্বাচনকে সামনে রেখে ইউএসএইড কাজ করে যাচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধি, নির্বাচিত কর্মকর্তা, বেসামরিক নাগরিক সদস্য, নারী নেত্রী, সাংবাদিক ও ছাত্রদের সঙ্গে। এর মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সহায়তা করছে চায় ইউএসএইড। প্রায় সাড়ে ১৬ কোটি মানুষের বাংলাদেশ তীব্র উগ্রবাদ মোকাবিলা করছে। এখানে নাগরিক ও রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য স্থান সংকুচিত হয়েছে। তাই এই বাংলাদেশে ‘ইন্ডিয়ান প্যাসিফিক স্ট্রাটেজি’র (আইপিএস) লক্ষ্য অর্জনের জন্য স্থিতিশীলতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
দীর্ঘ বক্তব্যে তিনি ভারত শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের কথা বলেন। বাংলাদেশ সম্পর্কে তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিপুল। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ছে। দ্রুত বাড়ছে মধ্যবিত্ত শ্রেণি। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের জন্য এখানে অপার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অর্থায়নের ঘাটতি আছে। শ্রমিকদের অধিকার ও নিরাপত্তা পুরোপুরি অনুসরণ করা হয় না। এর ফলে বাণিজ্য বিষয়ক সুবিধা জিএসপি স্থগিত রয়েছে। তাই আইপিএসের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশ সরকারকে শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও অধিকারের বিষয়ে অগ্রণী ভূমিকা নিতে সহায়তা করা, যেটা জিএসপির একশন প্ল্যানে আছে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার প্রতি যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ সরকার সে বিষয়ে আইনগত, নিয়ামক ও নীতি সংস্কারে বাংলাদেশকে সহায়তা দেবে ইউএসএইড। যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলো যেসব প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হচ্ছে তা শনাক্ত ও বিশ্লেষণ করতে আমরা আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতামূলকভাবে কাজ করে যাবো।






