স্বাস্থ্য খাতে ৩০ হাজার জনবল নিয়োগ দেয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

jahid malek
ফাইল ছবি

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, স্বাস্থ্য খাতের টেকনিশিয়ানসহ বিভিন্ন পদে প্রায় ১০ বছর ধরে নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। আদালতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মামলা এর প্রধান কারণ। এতে করে স্বাস্থ্যসেবা খাতের সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত এ সমস্যার সমাধান করা হবে। যত দ্রুত সম্ভব স্বাস্থ্য খাতে ২০ থেকে ৩০ হাজার জনবল নিয়োগ দেবে সরকার।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ ডা. মিলন হলে রোববার সোসাইটি অব অটোল্যারিংগোলজিস্টস অ্যান্ড হেড-নেক সার্জনস অব বাংলাদেশের ১৭তম জাতীয় সম্মেলন ২০১৯-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, চলতি মাসের ৮ তারিখে সাড়ে চার হাজার চিকিৎসক যোগ দেবেন। আগামী বছর আরও সাড়ে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেয়া হবে। সম্প্রতি ১৩০০ চিকিৎসককে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। এছাড়া গত মাসে প্রায় ৫শ’ চিকিৎসককে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসকদের জন্য সাড়ে চারশ’ গাড়ির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। উপজেলাতে চিকিৎসকদের থাকার সুব্যবস্থাসহ তাদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করার কার্যকরী উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া, মন্ত্রণালয়ের সচিব (স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ) মো. আসাদুল ইসলাম, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান।

সম্মানিত অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ডা. মো. ইহতেশামুল হক চৌধুরী, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. মো. আবদুল আজিজ। সভাপতিত্ব করেন সোসাইটি অব অটোল্যারিংগোলজিস্টস এনইড হেড-নেক সার্জানস অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আবুল হাসনাত জোয়ারদার। স্বাগত বক্তব্য দেন কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান তরফদার।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভিসি অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, ক্রমবিকাশমান ও বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার এ যুগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নাক কান গলা বিভাগ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। নতুন নতুন বিষয় সংযোজিত হচ্ছে। এ বিভাগে বর্তমানে চারটি ডিভিশন চালু রয়েছে। শিগগিরই আরও দুটি ডিভিশন চালু করা হবে। সম্মেলনে চিকিৎসাসেবায় অসামান্য অবদান রাখার জন্য ১১ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে সম্মাননা দেয়া হয়।