২০২০ সালে বিক্ষোভের ঝুঁকিতে বাংলাদেশসহ ৭৫ রাষ্ট্র

civil unrest index

বিশ্বের প্রায় এক চতুর্থাংশ দেশে গত বছর নাগরিক অস্থিরতা ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতা চলতি বছরও বজায় থাকবে বলে নতুন এক গবেষণায় সতর্ক করা হয়েছে। গত শুক্রবার প্রকাশিত এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, চলতি বছর বিশ্বের প্রায় ৭৫টি দেশে সহিংসতা ও বিক্ষোভের মতো ঘটনা ঘটবে বলে।

যুক্তরাজ্য ভিত্তিক আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সংস্থা ভারিস্ক ম্যাপলক্রফট এই সমীক্ষাটি প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জন্য সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ভেনেজুয়েলা, ইরান, লিবিয়া, গায়ানা, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, চিলি, ফিলিস্তিন ও ইথিওপিয়া। এই দশটি দেশেই চলতি বছর সবচেয়ে বেশি জন বিক্ষোভের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গত বছর যে ৪৭ দেশে জনবিক্ষোভ হয় সেগুলোর মধ্যে হংকং, চিলি, নাইজেরিয়া, সুদান, হাইতি, লেবানন ছিল শীর্ষে। এ বছরও এসব দেশসহ চলতি বছর মার্চের পর থেকে বছরের শেষ নাগাদ চীন, রাশিয়া, তুরস্ক, সউদী আরব, থাইল্যান্ডসহ আরও নতুন দেশে গণআন্দোলন ছড়িয়ে পড়তে পারে । ১৯৮ দেশের ওপর করা হয়েছে ঝুঁকির এই তালিকা। গতবছর সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ছিল সুদান। সুদানের পরই এই তালিকায় ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত ইয়েমেন। চলতিবছর ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে রাশিয়া ও চীন।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, এমনকি বিশ্বজুড়ে অশান্তির মূল কারণগুলি যদি তাৎক্ষণিকভাবে মোকাবেলা করা হয় তবুও এর সমাধানে কয়েক বছর সময় লাগবে। কারণ, যে সব কারণে বিক্ষোভ সংগঠিত হচ্ছে তার বেশিরভাগই গুরুতর। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ দেশগুলি যেখানে খনিজ ও জ্বালানি প্রকল্পগুলোতে প্রায়শই উচ্চ স্তরের সুরক্ষা প্রয়োজন হয় সেসব দেশ নিরাপত্তার জন্য বিদেশী নিরাপত্তা সংস্থা ভাড়া করলে নিজ নিজ দেশে জটিলতার মুখোমুখি হতে পারে। সূত্র : ডেইলি মেইল ও ইনকিলাব ।