ঈদযাত্রায় শিডিউল বিপর্যয় হবেই: রেলমন্ত্রী

ঈদুল ফিতরে ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় হবেই বলে মন্তব্য করেছেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শনে গিয়ে একথা বলেন তিনি। ডাবল লাইন না হলে কোনোভাবেই শিডিউল বিপর্যয় ঠেকানো যাবে না বলে জানান তিনি।

এদিকে বুধবার (২৭ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ছয়টায় রাজশাহীগামী ‘ধূমকেতু এক্সপ্রেসে’র মাধ্যমে কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রেনে ঈদযাত্রা শুরু হওয়ার কথা।

কিন্তু শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে সেটি না হওয়ায় পরের ট্রেন সিলেটগামী ‘পারাবত এক্সপ্রেসে’র মাধ্যমে ৬টা ২০ মিনিটে যাত্রা শুরু হয়। এবারের ঈদযাত্রায় প্রতিদিন ৫৩ হাজার যাত্রী ট্রেনে যাতায়াত করবেন।

এর মধ্যে শুধুমাত্র আন্তঃনগর ট্রেনে আসন থাকবে ২৭ হাজারের বেশি। এদিকে, ঈদযাত্রায় রেলের ১ মের টিকিট নিতে মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকেই কমলাপুর রেলস্টেশনে ভিড় করছেন টিকিটপ্রত্যাশীরা। অনেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন দুদিন ধরে। তারপরও ধৈর্য ধরে অপেক্ষায় আছেন অনেকে।

বুধবার (২৭ এপ্রিল) দেওয়া হচ্ছে ১ মের টিকেট। দুই দিন টিকিট না পেলেও সকাল হলে টিকিট মিলবে এমন প্রত্যাশায় অপেক্ষায় থেকে কাউন্টারের সামনেই বিছানা-বালিশ নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন অনেকে।

অনলাইনে টিকিট পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যানজট এড়িয়ে নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরতে ট্রেনের টিকিট পেতে এ লড়াই যেন তাদের। অভিযোগ রয়েছে কালোবাজারিরও।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, কাউন্টার থেকে এক ব্যক্তি চার জনের টিকিট কাটতে পারছেন। তবে তার জন্য প্রত্যেক যাত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি দিতে হচ্ছে।

ঈদ উপলক্ষে আগে বিভিন্ন সময় টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ জন্য এবার কালোবাজারি বন্ধে টিকিট কেনার সময় যাত্রীদের জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদের ফটোকপি কাউন্টারে দেখাতে হচ্ছে।

এবার ঢাকার কমলাপুর স্টেশনসহ পাঁচটি স্থানে অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। তবে ঈদযাত্রার প্রতিটি ট্রেনে নারী ও প্রতিবন্ধী যাত্রীদের জন্য একটি করে আলাদা কোচ সংযোজন করা হচ্ছে।

রেলওয়ে সূত্র আরও জানায়, ঈদ উপলক্ষে ছয়টি বিশেষ ট্রেন চলবে। এগুলো হচ্ছে- চাঁদপুর স্পেশাল দুই জোড়া, দেওয়ানগঞ্জ স্পেশাল এক জোড়া, শোলাকিয়া স্পেশাল দুই জোড়া, খুলনা স্পেশাল এক জোড়া। এসব ট্রেনের টিকিট অনলাইনে বিক্রি করা হবে না।