পেট্রাপোল বন্দরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা, বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

patrapole news

দেশের বৃহত্তম স্থল বন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি রফতানি বন্ধ রয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে পেট্রাপোল – বেনাপোল বন্দরের সকল প্রকার বানিজ্য বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীরা হতাশা প্রকাশ করেছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ সদস্যরা বন্দরের সিএন্ডএফ এজেন্টের স্টাফদের ভারতে প্রবেশ করতে না দেওয়ায় মঙ্গলবার সকাল থেকে আমদানী-রপ্তানী বন্ধ রয়েছে। তবে কাস্টমসের কর্মকর্তরা আমদানী-রপ্তানী চালু করতে ভারতীয় পেট্রাপোল বন্দরের কাস্টমস কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে কাস্টমসের কর্মকর্তারা।

তবে আগের দিনের যে সব গেট পাশের আমদানি পন্য ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে বেনাপোল বন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় ছিল শুধু মাত্র সেই সকল গাড়ি গুলো বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করেছে।

বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট কর্মচারী ইউনিয়নের দপ্তর সম্পাদক আওয়াল হোসেন বলেন, সকালে মালামাল রপ্তানীর জন্য কাগজপত্র নিয়ে পেট্রাপোল বন্দরে প্রবেশ করতে গেলে হঠাৎ করে বিএসএফ এর বাধার মুখে পড়ে আমাদের সদস্যরা। প্রত্যেক কর্মচারীকে বিএসএফের বাধার কারণে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে প্রবেশ করতে পারেনি। যে কারণে মুহুর্তের মধ্যে ভারতের সাথে সব ধরনের আমদানী রপ্তানী বন্ধ হয়ে যায়।

বেনাপোল চেকপোষ্টে শান্তা এন্টার প্রাইজের মহসিন আলী ও জয়েন্ট ষ্টারের জাহান আলী বলেন, আমরা সকালে ভারতে প্রবেশ করতে চাইলে বিএসএফ বাধা দেয়। তারা বলে এ ভাবে প্রবেশ করা যাবে না। পাসপোর্ট নিয়ে প্রবেশ করতে হবে। তারা বলে, আমরা ভারতে এবং ভারতের সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীরা যদি কাগজপত্র আদান প্রদান করতে না পারি তবে ব্যবসা বানিজ্য মুখ থুবড়ে পড়বে। এই কাগজ পত্র পেয়ে উভয় দেশে আইজিএম খোলা হয় তারপর মালামাল দুই দেশে প্রবেশ করে।

বেনাপোল সিএন্ডএফ এসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান স্বজন জানান, সকাল থেকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ সিএন্ডএফ কর্মচারীদের পেট্রাপোল বন্দরে ঢুকতে না দেওয়া সকাল থেকে ভারতের সাথে আমাদানী-রপ্তানী বন্ধ রয়েছে। তবে কি কারণে তারা স্টাফদের ভারতে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না তা এখনো জানা যায়নি।

বেনাপোল কাস্টমসের কার্গো শাখার সহকারী কমিশনার উত্তম চাকমা জানান, সিএন্ডএফ এজেন্ট কর্মচারীরা যাতে তাড়া তাড়ি ভারতে প্রবেশ করতে পারে সেই চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে সে দেশে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট সফরের কারণে সীমান্ত জুড়ে কঠোর নজরদারীর ফলে বাংলাদেশ থেকে কোন সিএন্ডএফ কর্মচারীকে ভারতে ঢুকতে দিচ্ছে না।