উন্নয়ন ও তরুণদের কর্মসংস্থান বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

sk hasina
ফাইল ছবি

উন্নয়ন ও তরুণদের কর্মসংস্থান বাড়াতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির ৫৫তম ব্যাচের ক্যাডেটদের মুজিববর্ষ গ্রাজুয়েশন প্যারেড অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যুক্ত হন সরকারপ্রধান।

কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য এমনটা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন সরকারে থাকার সুযোগে সব খাতে উন্নয়ন করা সম্ভব হচ্ছে। দেশের উন্নয়ন আর তরুণদের কর্মসংস্থান বাড়াতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, আমরা দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই, সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। বিশাল সমুদ্রসীমা অর্জন ও নদীমাতৃক এ দেশের নদীগুলোর নাব্যতা ফিরিয়ে এনে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নৌপথে চলাচল আরও সচল ও সুষ্ঠু করার লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি। সে কারণেই আমরা এই মেরিটাইম একাডেমিগুলো প্রতিষ্ঠা করেছি। এর ফলে আমাদের ছেলে-মেয়েদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে। এর ফলে একদিকে যেমন তারা নিজেরা ও পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে পারছে, তেমনি দেশে-বিদেশে কাজ করে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতিকেও স্বাবলম্বী করছে।

মেরিন একাডেমিতে উচ্চমানের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, সমুদ্রপথেই অধিকাংশ পণ্য পরিবহন হয়। সারাবিশ্বের অর্থনীতিতে এ পণ্য পরিবহনের গুরুত্ব অনেক। জাহাজ চলাচলে উচ্চ শিক্ষার জন্য বর্তমান সরকার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছে। বিশ্বে মর্যাদা নিয়ে চলতে হলে শিক্ষা-প্রশিক্ষণ দরকার।

বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ একসঙ্গে অর্জন করতে হবে বলেও উল্লেখ করেন সরকারপ্রধান।

বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে বহু আগেই উন্নত সমৃদ্ধ হতো বাংলাদেশ এমন মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ নিয়ে আমরা রাষ্ট্র পরিচালনা করেছি বলে এবং দীর্ঘদিন সরকারে থাকার সুযোগ পেয়েছি বলে আজকে প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা এগিয়ে গিয়েছি। এমনকি এই করোনাকালীন আমরা আমাদের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে পেরেছি। বিশ্বে অনেক উন্নত দেশের আগে নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য আমরা ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করতে পেরেছি।

অনুষ্ঠানে করোনার সংক্রমণ থেকে বাঁচতে টিকা গ্রহণ করলেও সকলকে নিয়মিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান বঙ্গবন্ধুকন্যা।