ভারতে আরো বেড়েছে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু

india news

করোনায় আক্রান্ত হয়ে ভারতে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কমেছে। তবে আগের দিনের তুলনায় অনেকটা বেড়েছে ভাইরাসে আক্রান্ত নতুন রোগীর সংখ্যা।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে সুস্থ হওয়া মানুষের তুলনায় ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বেশি মানুষ। আর এতেই দেশটিতে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ফের ছাড়িয়েছে ৩ লাখ ৩০ হাজারের গণ্ডি।

বৃহস্পতিবার ২৬ আগস্ট ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৪৬ হাজার ১৬৪ জন মানুষ।

অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় দেশটিতে নতুন সংক্রমিত রোগী সংখ্যা বেড়েছে সাড়ে ৮ হাজারের বেশি। সর্বশেষ এই সংখ্যাসহ মহামারির শুরু থেকে দেশটিতে করোনায় আক্রান্তের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ৫৩০ জনে।

অন্যদিকে বুধবারের তুলনায় বৃহস্পতিবার ভারতে প্রাণহানির সংখ্যা কিছুটা কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে মারা গেছেন ৬০৭ জন। অর্থাৎ গত এক দিনে মৃত্যু কমেছে ৪১ জন।

মহামারির শুরু থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৪ লাখ ৩৬ হাজার ৩৬৫ জন। এদিকে দৈনিক সুস্থতা ও সংক্রমণের ক্ষেত্রে বৃহস্পতিবারও ভারতে বজায় রয়েছে বিপরীত চিত্র।

অর্থাৎ সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে সুস্থ হওয়া মানুষের তুলনায় ভাইরাসে নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন বেশি মানুষ। ফলে টানা দেশটিতে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা আরও বেড়েছে।

গত একদিনে ভারতে সুস্থ হয়েছেন বা হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৩৪ হাজার ১৫৯ জন মানুষ। অন্যদিকে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ৪৬ হাজারের বেশি।

ফলে দেশটিতে মোট সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭২৫ জনে। বর্তমানে ভারতে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা দেশটির মোট শনাক্ত রোগীর ১ শতাংশের বেশি।

ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার এই হার ১ দশমিক ০৩ শতাংশ। এদিকে বৃহস্পতিবার ভারতে সুস্থতার হার আরও কমেছে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ। অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে দৈনিক সংক্রমণের হার বেড়ে হয়েছে ২ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

টানা ৩১ দিন ধরে দেশটিতে এই হার ৩ শতাংশের নিচেই রয়েছে। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ জানিয়েছে, আগস্ট মাসের ২৫ তারিখ পর্যন্ত ভারতে মোট ৫১ কোটি ৩১ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৭ লাখ ৮৭ হাজার ২৮৩ জনের।