শার্শার পল্লীতে সন্ত্রাসী ডাবলু বাহিনী আবারো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। গত ৩১ মার্চ আরামন হোসেন ডাবলূ তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে শার্শার উলাশী ইউনিয়ন এর জিরেনগাছা গ্রামের মোমিন হোসেনে এর বাড়িতে গুলি ও বোমা ফাটিয়ে ৫ টি গরু ৪ টি ছাগল লুট করে নিয়ে গেছে। একাধিক বোমা ও গুলির বর্ষনে ভয়ে বাড়ির সকলে পলাতক রয়েছে ওই বাহিনীর ভয়ে।
শার্শার উলাশী ইউনিয়ন এর জিরেনগাছা গ্রামের মোমিন বলেন গত ৩১ মার্চ রাত্রে একই গ্রামের তোফাজ্জেল এর ছেলে ডাবলু তার ভাই জবাজ মিয়া, আজিজুল এর ছেলে হাবিল , রহমত এর ছেলে আব্দুল্লাহ, আজিজুর এর ছেলে ইব্রাহীম সহ ১৫/২০ জনের একটি দল তাদের বাড়িতে রাত্রের অন্ধকারে হামলা করে। এসময় সন্ত্রাসীরা একাধিক গুলি ও বোমা বর্ষন করে তার বাড়িতে। বাড়ির মহিলারা ও ছোট ছেলে মেয়েরা ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে উঠে। এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে তারা বাড়ি থেকে ৫ টি গরু ও ৪ টি ছাগল নিয়ে চলে যায়। যার আনুমানিক মুল্য প্রায় ৭ লাখ টাকা। এবং ঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে হুমকি দিয়ে যায় তারা যেন বাড়িতে না থাকে। বাড়িতে থাকলে প্রানে মেরে ফেলা হবে। মোমিন আরো জানায় আমাকে হত্যার উদ্দেশ্য তারা বাড়িতে হামলা করে। রাত্রে আমি বাড়িতে না থাকায় এ যাত্রায় আমি বেঁচে গেছি। মাঠে প্রায় ২০ বিঘার মত ইরি ধান রয়েছে। গাছে থোড় এসেছে । এসময় ধান গাছে সার কিটনাশক ও পানির খুব প্রয়োজন। আমাদের সন্ত্রাসী ডাবলু বাড়িতে উঠতে দিচ্ছে না। যার ফলে ধান নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছি। তবে তার বাড়ি থেকে লুট করা ৫টি গরুর মধ্যে একটি গরু পুলিশ উদ্ধার করেছে। আমাদের প্রতি যে অত্যাচার নির্যাতন করছে থানায় মামলা করা সত্বেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা নিচেছ না।
স্থানীয়রা জানায় মোমিন হোসেন উলাশী ইউনিয়ন বিএনপির ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক। সে দলকে সাংগঠনিক ভাবে শক্তিশালী করতে জিরেনগাছা গ্রামে একটি বিএনপির কাব অফিস করে। সেখানে ডাবলু মোমিনকে কোন কাব করতে দিবে না এবং তার কেউ ওই কাবে আসলে মারধর এর হুমকি দেয়। এমত অবস্থায় মোমিন ও তার অনুসারি জিরেনগাছা গ্রামের ইবাদুল এর ছেলে ইমন হোসেন (৩০) রবিউল এর ছেলে ফারুক হোসেন (২৬) ও আব্দুল ছাত্তার এর ছেলে মোমিন কাবে ও ইমান এর মোড় তাদের ব্যবসায়ি প্রতিষ্ঠানে গেলে ডাবলু ও তার ভাই মারধর করে। এবং ডাবলু স্পষ্ট ঘোষনা দেয় এখানে মোমিন কোন কাব করতে পারবে না।
এর আগে গত ১২ জানুয়ারী মোমিন তার নিজ গ্রামে বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া অনুষ্ঠান করতে গরু ক্রয় করে মিলাদ দেওয়ার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করার সময় ডেকোরেটর এর চেয়ার টেবিল ভেঙ্গে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠান পন্ড করে দেয়। সে সময় ও ডাবলু একাধিক বোমা বিস্ফোরন ঘটায় এবং পিস্তল উচুঁ করে ভয় দেখায়। একই সময় চাদার দাবিতে গ্রামের একটি চলমান নির্মানকৃত সড়ক এর কাজ বন্ধ করে দেয়।
এ বিষয় শার্শা থানা ওসি (তদন্ত)শাহ আলম বলেন, জিরেনগাছা গ্রামে মারামারিতে উভয় পক্ষ দুটি মামলা করেছে। পুলিশ তদন্ত করছে।








