‘করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি নিয়েই দিন-রাত নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে সেনাবাহিনী’

jessore army
করোনা সংক্রমন বিস্তার রোধে সামাজিক দুরুত্ব নিশ্চিতকল্পে নিয়মিত জনসচেতনতামূলক প্রচারণা অব্যাহত রেখেছে যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিরামহীন কর্মযজ্ঞের মাধ্যমে চলমান করোনা প্রাদুর্ভাবের মধ্যে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে দেশের সাধারণ মানুষের মনে। দেশের এমন সংকটময় মুহূর্তে করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি নিয়েই দিন-রাত নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৫৫ পদাতিক ডিভিশন।

“আপনি ঘরে থাকুন, নিরাপদে থাকুন। নিজে বাঁচুন, পরিবারকে বাঁচান, দেশকে বাঁচান।”- এই স্লোগান দিয়ে মাইক হাতে শহর থেকে শুরু করে গ্রামাঞ্চলে গিয়ে এভাবেই মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা৷ সামাজিক দূরত্ব ও কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতসহ মানবিক নানাবিধ কর্মকাণ্ডে তারা ব্যস্ত রেখেছেন নিজেদেরকে।

আজ নিজের জীবন কিংবা পরিবারের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে আমরা যখন হোম কোয়ারান্টাইনে তখন এই সেনাসদস্যরাই রাত-দিন রাস্তায় থেকে আইনশৃংখলা রক্ষায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহযোগিতার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সাথে মিশে দুই হাত উজাড় করে হত দরিদ্র, অসহায়, পঙ্গু ভ্রাম্যমান ব্যক্তিদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে খাদ্য সহায়তার মাধ্যমে মানবতার এক উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে।

এছাড়া বিভিন্ন জায়গায় জীবানুনাশক ছিটানো, কখনও কখনও প্রত্যন্ত গ্রাম-অঞ্চলের অসহায় কৃষকদের ক্ষেত থেকে সবজি ক্রয় করে চাষীদের আর্থিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে দেয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রকার ফল/শস্য/খাদ্য বীজ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

বাংলাদেশের যে কোন কঠিন দুর্যোগের সময় সরকারের নির্দেশে সবার আগে এগিয়ে গিয়ে হাল ধরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। শুধু বাংলাদেশেই নয় বরং বহির্বিশ্বেও নিজেদের জীবন বাজি রেখে বাংলাদেশের সুনাম অক্ষুন্ন রাখার পাশাপাশি নানাবিধ মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রেখে চলেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তথা যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা।

jessore army
করোনা সংক্রমন ঠেঁকাতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এখনও স্থানীয় কাঁচা বাজারগুলোতে নিয়মিত মাইকিং কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা।
jessore army
করোনা পরিস্থিতিতে আজও প্রত্যন্ত গ্রাম-অঞ্চলের অসহায় কৃষকদের ক্ষেত হতে বিভিন্ন ধরনের সবজি ক্রয় করে আর্থিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা।