আর্মেনিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন আজেরি প্রেসিডেন্ট

azerbaijan president ilham aliyev

আজারবাইজানের সঙ্গে সংঘাতে বিপুল পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার করেছেন আর্মেনিয়ার প্রেসিডেন্ট নিকোল পাশিনিয়ান। চলমান সংঘাতে আর্মেনিয়ার সেনাবাহিনীর অনেক সদস্য হতাহত হয়েছেন বলেও তিনি স্বীকার করেছেন। তবে কী পরিমাণ সামরিক সরঞ্জামাদি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা উল্লেখ করেননি।

তবে প্রতিবেশী দেশ দুটির মধ্যে যুদ্ধ নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ। সম্প্রতি এক টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাতকারে তিনি জানিয়েছেন, আর্মেনিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে তার দেশ তুরস্কের ড্রোন ব্যবহার করেছে। তুরস্কের ড্রোন ব্যবহারের ফলে তার দেশ কারাবাখে আর্মেনিয়ার সামরিক বাহিনীর অন্তত ১ বিলিয়ন ডলার মূল্যমানের সামরিক সরঞ্জামের ক্ষতি করতে পেরেছে।

তুরস্কের কতটি ড্রোন বাকুতে রয়েছে সাংবাদিকের এমন প্রশ্নে আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট আলিয়েভ সংখ্যা বলার বিষয়টি অস্বীকার করে জানান, তার দেশে তুরস্কের যথেষ্ট পরিমাণ ড্রোন রয়েছে।

২৭ সেপ্টেম্বর থেকে বিরোধীয় নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান নতুন করে যুদ্ধে জড়ায়। পরবর্তীতে ১০ অক্টোবর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে ম্যারথন আলোচনা হয়।

এতে উভয় পক্ষ মানবিক কারণে সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এ যুদ্ধবিরতিতে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবন্দিসহ অন্যান্য বন্দি বিনিময় ও মৃতদেহ হস্তান্তরের বিষয়ে উভয় দেশ সম্মত হয়।

১১ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যুদ্ধবিরতির কয়েক মিনিটের মধ্যেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান পরস্পরকে সাময়িক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘেনের জন্য অভিযুক্ত করে।

কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। তবে ওই অঞ্চলটি জাতিগত আর্মেনীয়রা ১৯৯০’র দশক থেকে নিয়ন্ত্রণ করছে। ওই দশকেই আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের সঙ্গে যুদ্ধে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়।