টিকা সহায়তা অব্যাহত রাখবে জাপান

covid 19 vaccine

করোনা ভ্যকসিন দিতে জাপানের সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি।

রোববার ১০ অক্টোবর ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি রিজওয়ান রাহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ প্রতিশ্রুতি দেন জাপানের রাষ্ট্রদূত।

ইতো নাওকি বলেন, করোনা মহামারিতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ইতিবাচক গতিধারা সারা পৃথিবীতে বাংলাদেশের অর্থনীতির শক্তিশালী অবস্থান তুলে ধরেছে।

তিনি বলেন, আগামী বছরের শেষ নাগাদ ঢাকার অদূরে আড়াইহাজারে ‘জাপান অর্থনৈতিক অঞ্চল’ স্থাপনের কাজ শেষ হলে জাপানী বিনিয়োগ উল্লেখজনক হারে বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি বাংলাদেশের অবকাঠামো খাতের উন্নয়নের চলমান কার্যক্রম সম্পন্ন হলে, সার্বিকভাবে বাংলাদেশ বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে সক্ষম হবে।

জাপানের রাষ্ট্রদূত বলেন, জাপানভিত্তিক মোটর কোম্পানি মিতসুবিশি সম্প্রতি বাংলাদেশে বিনিয়োগের লক্ষ্যে তাদের সম্ভ্যাবতা জরিপ কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে নিজেদের কারখানা স্থাপনে ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসবে।

আরো বেশি হারে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ উন্নয়নে তিনি কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স, পণ্য আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়ার সহজীকরণ, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং ইপিজেড ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের কাজ দ্রুততর সময়ে সম্পন্ন করার ওপর জোরারোপ করেন।

রাষ্ট্রদূত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্কের অধিকতর সম্প্রসারণে যৌথ গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তাব করেন এবং এ লক্ষ্যে ঢাকা চেম্বার ও বাংলাদেশস্থ জাপান দূতাবাসকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে বলে উল্লেখ করেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি রিজওয়ান রাহমান। বাংলাদেশের মানুষকে করোনা ভ্যাকসিন দেওয়ায় জাপানকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

বাংলাদেশ তৈরি পোশাকখাতের পণ্যই বেশি হারে জাপানে রপ্তানি করে থাকে, তবে জাপানে বাংলাদেশের অন্যান্য পণ্য রপ্তানিতে রাষ্ট্রদূতের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন ডিসিসিআই সভাপতি।

বিশেষত মানবসম্পদের দক্ষতা উন্নয়ন, পণ্য উৎপাদন প্রক্রিয়ায় আধুনিক যন্ত্রপাতি ও তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে জাপানকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।